প্রথম রাজধানী চুয়াডাঙ্গা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম চুয়াডাঙ্গা। কিন্তু এই ক্ষুদ্রতম জেলাটি বাংলাদেশের সর্ববৃহত্‍ ইতিহাসের ভেতর নিজের স্থান করে নিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে চুয়াডাঙ্গার নেতার স্থানীয় ভূমিকা রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে চুয়াডাঙ্গাকে অস্থায়ী রাজধানী হিসাবে স্বীকৃতি দেন তত্‍কালিন ২৮ জন এম.এন. এ। সে হিসাবে অস্থায়ী অর্থাত্‍ বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী চুয়াডাঙ্গা। এ ব্যাপারে অনুরূপ মতভেদ থাকার কথা না। তাছাড়া বিভিন্ন তত্ত্ব-উপাত্ত্ব সবকিছু এ দাবির পৰে৷ নিরাপত্তা জনিত কারনে ১৪ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় শপথ গ্রহণ স্থানাত্মর করা হয় মেহেরপুর জেলার সীমানত্মবর্তী গ্রাম বৈদ্যনাথ তলায়। কিন্তু রাজধানী স্থানাত্মর করা হয়নি৷ চুয়াডাঙ্গায় অস্থায়ী রাজধানীর আনুষ্ঠানিক কার্যালয় চালু না হলেও সার্বিক প্রস্তুতি, সিদ্ধান্ত ও ঘোষনার সুবাদে চুয়াডাঙ্গা বাংলাদেশের “প্রথম রাজধানী” মর্যাদার দাবিদার৷ স্বাধীনতার পর চুয়াডাঙ্গাবাসী প্রথম রাজধানী দিবস পালন করলেও রাষ্টীয়ভাবে স্বীকৃতি মেলেনি। চুয়াডাঙ্গার গণমানুষের প্রাণের দাবি প্রথম রাজধানী দিবস রাষ্টীয়ভাবে পালন করা হোক এবং চুয়াডাঙ্গা প্রথম রাজধানীর মর্যাদা পাক।

এই দাবির পৰে জনমত তৈরী এবং প্রথম রাজধানী চুয়াডাঙ্গা বিষয়ে বিভিন্ন কর্মসূচী ও তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করার জন্য এই ওয়েবসাইট নির্মান করা হয়েছে।

 

মারুফ হাসান পলাশ
প্রধান সঞ্চালক
সুন্দরম মিডিয়া, চুয়াডাঙ্গা।

 

 

Posted in ভূমিকা | Tagged , , | একটি মন্তব্য করুন